দেশের সর্বাধিক জনপ্রিয় মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন ২০২০ সালের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ৩ হাজার ৬২০ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করেছে। যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি। ২০১৯ সালের প্রান্তিকে অপারেটরটির রাজস্ব বৃদ্ধির হার ছিল ১১ দশমিক ৬ শতাংশ।

আয়ের খসরা ছবি

গ্রামীণফোনের এক বিজ্ঞপ্তি ও ওয়েবসাইটে দেওয়া আর্থিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য পাওয়া যায়। গ্রামীণফোনের গ্রাহকদের মধ্যে ৫৩ দশমিক ৬ শতাংশ বা ৪ কোটি ৪ লাখ গ্রাহক ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন। প্রথম প্রান্তিকে ইন্টারনেট থেকে রাজস্ব গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৪ দশমিক ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

করোনার প্রাদুর্ভাবে সামগ্রিক ক্ষতিই হয়েছে বলে জানিয়েছে অপারেটর সংস্থাটি। গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসির আজমান বলেন, “২০২০ সালের প্রথম প্রান্তিকে ধারাবাহিক প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়েছি। মার্চ পর্যন্ত অনাপত্তিপত্র (এনওসি) অনুমোদনের ওপর নিয়ন্ত্রক সংস্থার বিধিনিষেধ থাকায় আমরা পরিকল্পিত বিনিয়োগ করতে পারি নি। অন্যদিকে প্রথম প্রান্তিকের শুরু থেকে আমাদের নম্বর সংকট দেখা দিয়েছিল, যেটি মোট গ্রাহকের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।”

তিনি আরও জানান, “তবে চমৎকারভাবে বাজার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং নেটওয়ার্কে আমাদের শক্তিশালী অবস্থান ধরে রাখার মাধ্যমে আমরা ব্যবসায়িক সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি।”

গ্রামীণফোন জানায়, প্রথম চার মাসে নেটওয়ার্ক উন্নয়নে প্রায় ৪০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। এ সময় নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নের পাশাপাশি ১৯৭টি নতুন ফোর-জি সাইট করা হয়েছে।

মার্চ শেষে গ্রামীণফোনের মোট নেটওয়ার্ক সাইটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ৫৪২। ভ্যাট, ফোর-জি লাইসেন্স মাশুল, তরঙ্গ ব্যবহারের মাশুল, শুল্ক ও অন্যান্য খাতে প্রথম প্রান্তিকে সরকারি কোষাগারে ২ হাজার ৪৬০ কোটি টাকা দিয়েছে গ্রামীণফোন, যা মোট আয়ের ৬৮ শতাংশ।


Domain and Web Hosting in BD

এই পরিস্থিতিতেও মোবাইল অপারেটরটি স্বাস্থ্য পেশাদারদের জন্য ৫০ হাজার মেডিকেল-গ্রেডের ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষামূলক সরঞ্জাম (পিপিই) এবং ১০ হাজার টেস্টিং কিটস দান করেছে। করোনভাইরাস রোগীদের চিকিত্সার জন্য ডিজিএইচএসের মনোনীত হাসপাতালগুলি পিপিই এবং টেস্টিং কিট পাবেন।